NISC logo

Saturday, March 21, 2015

3D Movie

          আমরা জানি, কোনো বস্তুর তিনটি মাত্রা থাকে: দৈর্ঘ, প্রস্থ এবং উচ্চতা বা গভীরতা। 2D (2 Dimensional) বা দ্বিমাত্রিক ছবি বা ভিডিওতে শুধুমাত্র দৈর্ঘ এবং প্রস্থ থাকে, উচ্চতা বা গভীরতা থাকেনা। 3D (3 Dimensional) বা ত্রিমাত্রিক ছবি বা ভিডিওতে দৈর্ঘ, প্রস্থ এবং উচ্চতা বা গভীরতা তিনটি মাত্রাই থাকে। 

          আমরা দুচোখ দিয়ে দেখলে কোনো বস্তুর গভীরতা বুঝতে পারি, কিন্তু একচোখ দিয়ে দেখলে পারিনা। একটা খুব সহজ পর্যবেক্ষণ করা যাক।

  • নিজের চোখের সামনে নাক বরাবর ১টা আঙ্গুল রাখুন।
  • এবার, বাম চোখ বন্ধ করে ডান চোখ দিয়ে দেখুন, আঙ্গুলের ডানদিকটা দেখতে পাচ্ছেন, কিন্তু বামদিকটা দেখতে পাচ্ছেননা।
  • এবার, ডান চোখ বন্ধ করে বাম চোখ দিয়ে দেখুন, আঙ্গুলের বামদিকটা দেখতে পাচ্ছেন, কিন্তু ডানদিকটা দেখতে পাচ্ছেননা।
  • এবার, দুচোখ দিয়েই দেখুন, আঙ্গুলের ডানদিক এবং বামদিক -দুদিকই দেখতে পাচ্ছেন।

          বাম চোখ বন্ধ করে ডান চোখ দিয়ে আঙ্গুলের ডানদিকে যে অংশটা দেখছিলেন, সেটা ডানদিক দিয়ে আঙ্গুলটার গভীরতা। একইভাবে ডান চোখ বন্ধ করে বাম চোখ দিয়ে আঙ্গুলের বামদিকে যে অংশটা দেখছিলেন, সেটা বামদিক দিয়ে আঙ্গুলটার গভীরতা। যখন দুচোখ দিয়ে দেখছেন, আঙ্গুলটার দুদিকেরই গভীরতা দেখতে পাচ্ছেন। 
          এখন, প্রশ্ন হতে পারে, একচোখ দিয়ে দেখলে তো একদিকের গভীরতা দেখা যাচ্ছে, তো দুচোখের কি দরকার? একচোখ দিয়ে দেখলে, একদিকের গভীরতা সহ বস্তুটিকে যেভাবে দেখছি, সেটাতো একটা 2D (2 Dimensional) বা দ্বিমাত্রিক তলে ছবিও হতে পারে। তাই, দুচোখ দিয়ে দেখা উভয়দিকের গভীরতা সহ দুটি দৃষ্টি যখন মস্তিষ্কে গিয়ে মিশছে, আমরা সম্পূর্ণ 3D (3 Dimensional) বা ত্রিমাত্রিক বস্তু দেখছি।



           আমাদের দুচোখের মনির মধ্যে দুরত্ব ২.৫ ইঞ্চি। একে বলা হয়, Inner Pupilary Distance (IPD)। 3D (3 Dimensional) বা ত্রিমাত্রিক ছবি তোলা হয় দুটো ক্যামেরা দিয়ে। ক্যামেরা দুটোর মধ্যে দুরত্ব রাখা হয় ২.৫ ইঞ্চি। যখন 3D (3 Dimensional) বা ত্রিমাত্রিক ছবি তোলা হয়, ক্যামেরা দুটো আমাদের দুচোখের মত কাজ করে। অর্থাৎ, ডানদিকের ক্যামেরায় ডানদিকের গভীরতা সহ দৃশ্য তোলা হয়, এবং বামদিকের ক্যামেরায় বামদিকের গভীরতা সহ দৃশ্য তোলা হয়। এবার, এমন ভাবে ছবি দুটোকে রাখা হয়, যাতে ডান চোখ দিয়ে ডানদিকের ক্যামেরার ছবি দেখা যায় কিন্তু বামদিকের ক্যামেরার ছবি দেখা যায়না, এবং বাম চোখ দিয়ে বামদিকের ক্যামেরার ছবি দেখা যায় কিন্তু ডানদিকের ক্যামেরার ছবি দেখা যায়না। 3D (3 Dimensional) বা ত্রিমাত্রিক দৃশ্য দেখার পদ্ধতিকে বলা হয়, Stereoscope এবং ক্যামেরা দুটি দিয়ে তোলা ছবি দুটিকে বলা হয় Stereogram।




ইতিহাস :

          ১৮৩৮ সালে সর্বপ্রথম Stereoscopic ছবি তৈরী হয়। এটি তৈরী করেন Sir Charles Wheatstone। একটা বাক্সের একদিকে চোখ দিয়ে দেখার মত জায়গা কেটে নিয়ে পাশের ছবির মত ৪টে আয়না আর ছবিদুটো রেখে মাঝের আয়না দুটোয় দুচোখ রেখে দেখা হত।

এবার, মাঝের আয়না দুটো একটু ঘুরিয়ে দেখলেই প্রতিফলনের সুত্র অনুযায়ী দৃশ্যটি কাছে আসবে বা দূরে চলে যাবে।  

এই Stereoscope-টিকে বলা হয় Wheatstone Mirror Stereoscope।


          এরপর ১৮৪৯ সালে David Brewster সর্বপ্রথম Stereoscope-এ লেন্স ব্যবহার করার ধারণা দেন। লেন্স ব্যবহারের ফলে আমাদের চোখের ফোকাস দৈর্ঘ্য পরিবর্তন হয়ে সঠিক ভাবে আমরা দৃশ্যটি দেখতে পাই। Stereoscope-টি তৈরী করেন Jules Duboscq।

এই Stereoscope-টিকে বলা হয় Brewster Stereoscope।

          এরপর ১৮৬১ সালে Oliver Wendell Holmes অন্যরকম ভাবে (লেন্সের ব্যবহার করেই) Stereoscope-এর রূপদান করেন।

এই Stereoscope-টিকে বলা হয় Holmes Stereoscope অথবা Mexican Stereoscope।



বর্তমান :

  • Anaglyph System :

          বর্তমান যুগে আলোক বিজ্ঞান এবং বর্ণালী তত্বের ভিত্তিতে  Stereoscopic ছবি তৈরী করা হয়। আমরা জানি, লাল (Red) রঙের পরিপূরক রঙ সবজে নীল (Cyan)। অর্থাৎ, লাল (Red) আর সবজে নীল (Cyan) মেশালে আমরা সাদা রঙ পাবো, আবার সাদা থেকে লাল (Red) বের করে নিলে পড়ে থাকবে সবজে নীল (Cyan) এবং সাদা থেকে সবজে নীল (Cyan) বের করে নিলে পড়ে থাকবে লাল (Red)। একটা ছোট্ট পর্যবেক্ষণ করে দেখা যাক যে লাল (Red) আর সবজে নীল (Cyan) পরস্পরের পরিপূরক রঙ। নীচের লাল (Red) বৃত্বের কেন্দ্রের কালো বিন্দুটির দিকে প্রায় ৩০ সেকেন্ড তাকিয়ে থাকুন, তারপর পাশের সাদা জায়গায় তাকান, এবার কি রং দেখছেন বলুন তো?
 
          এবার ডানদিকের ক্যামেরার ছবি আর বামদিকের ক্যামেরার ছবি যখন মেশানো হয়, ডানদিকের ক্যামেরার ছবি থেকে সব লাল (Red) রঙ বের করে নেওয়া হয়, ফলে ছবিটা সবজে নীল (Cyan) রঙের হয়। একইভাবে বামদিকের ক্যামেরার ছবি থেকে সব সবজে নীল (Cyan) রঙ বের করে নেওয়া হয়, ফলে ছবিটা লাল (Red) রঙের হয়। এই ধরনের Stereoscopic ছবিকে বলা হয় Anaglyph।

          এই Anaglyph ছবি দেখার জন্য একটি বিশেষ চশমা তৈরী করা হয়। এই চশমার ডানদিকের কাঁচটা হয় সবজে নীল (Cyan) এবং বামদিকের কাঁচটা হয় লাল (Red) রঙের। আলোকবিজ্ঞান এবং বর্ণালী তত্ব অনুযায়ী কোনো নির্দিষ্ট রঙের অস্বচ্ছ বস্তু  শুধু সেই রঙটিকেই প্রতিফলিত করে (এই জন্য কোনো নির্দিষ্ট রঙের বস্তুকে আমরা সেই রঙেরই দেখি) বা নির্দিষ্ট রঙের স্বচ্ছ বস্তু শুধু সেই রঙটিকেই পার করায় এবং বাকি আর সব রঙ শোষণ করে নেয়। সুতরাং, Anaglyph চশমার ডানদিকের কাঁচ দিয়ে Anaglyph ছবির ডানদিকের ক্যামেরার ছবি দেখা যাবে কিন্তু বামদিকের ক্যামেরার ছবি দেখা যাবেনা। আবার, Anaglyph চশমার বামদিকের কাঁচ দিয়ে Anaglyph ছবির বামদিকের ক্যামেরার ছবি দেখা যাবে কিন্তু ডানদিকের ক্যামেরার ছবি দেখা যাবেনা। এইভাবে দুচোখে দুটি পরস্পর পরিপূরক রঙের ছবি আমাদের মস্তিষ্কে গিয়ে মিশে  আমরা সম্পূর্ণ 3D (3 Dimensional) বা ত্রিমাত্রিক ছবি দেখি। Wilhelm Rollmann ১৮৫৩ সালে প্রথম Anaglyph ছবির পদ্ধতি শুরু করেন।


          বর্তমান যুগের বহুল প্রচলিত 3D (3 Dimensional) Movie বা ত্রিমাত্রিক চলচ্চিত্রের ভিডিও রেকর্ড করা হয় দুটো ক্যামেরা দিয়েই একইভাবে ক্যামেরা দুটোর মধ্যে ২.৫ ইঞ্চি দুরত্ব রেখে। এখানেও ক্যামেরা দুটো আমাদের দুচোখের মতই কাজ করে। অর্থাৎ, ডানদিকের ক্যামেরায় ডানদিকের গভীরতা সহ দৃশ্য রেকর্ড হয়, এবং বামদিকের ক্যামেরায় বামদিকের গভীরতা সহ দৃশ্য রেকর্ড হয়। একইভাবে ভিডিও দুটোর রঙ পরিবর্তন করে Anaglyph ভিডিও তৈরী করা হয়। এবার ধরা যাক, কোনো ফুটবল খেলার দৃশ্যে আছে যে ফুটবলটা দর্শকের দিকে তেড়ে আসছে -সুক্ষ্ম ভাবে বলা যায়, ফুটবলটা দর্শকের দুচোখের মাঝখানের দিকে তেড়ে আসছে। এই ভিডিও রেকর্ড করার সময় আসলে ফুটবলটা ক্যামেরা দুটোর মাঝখানে তেড়ে আসছিল, অর্থাৎ ফুটবলটা ডানদিকের ক্যামেরার বামদিকে এবং বামদিকের ক্যামেরার ডানদিকে ছিল। এবার যখন Anaglyph ভিডিও তৈরী হচ্ছে, ডানদিকের ক্যামেরায় তোলা সবজে নীল (Cyan) রঙের ফুটবল আর বামদিকের ক্যামেরায় তোলা লাল (Red) রঙের ফুটবলের মধ্যে দুরত্ব অনেকটাই, আবার ডানচোখ দিয়ে দেখা ফুটবলটা বামদিকে আর বামচোখ দিয়ে দেখা ফুটবলটা ডানদিকে, অর্থাৎ আমাদের দুচোখের দৃষ্টি কিছুটা কৌণিক হয়ে পরস্পর পরস্পরকে ছেদ করছে। এই ছেদবিন্দুটি তৈরী হচ্ছে পর্দা আর দর্শকের মাঝখানে এবং এই ছেদবিন্দুতেই তৈরী হচ্ছে ত্রিমাত্রিক ফুটবলের আকার। তাই মনে হয় যে, ফুটবলটা পর্দা থেকে বেড়িয়ে আমাদের দিকে তেড়ে আসছে। Edwin S Porter ১৯১৫ সালে প্রথম Anaglyph চলচ্চিত্রের পদ্ধতি শুরু করেন।
 
Anaglyph পদ্ধতির দুটি অসুবিধা আছে :
  • যারা বর্ণান্ধ তারা Anaglyph ছবি বা Anaglyph চলচ্চিত্র ঠিকমত দেখতে পাবেনা।
  • রঙের সমস্যা :
          আলোকবিজ্ঞান এবং বর্ণালী তত্ব অনুযায়ী প্রধান বা মৌলিক রঙ তিনটি: লাল (Red), সবুজ (Green), নীল (Blue) -এই তিনটি রঙ সমান ভাবে মিশলে সাদা রঙ পাওয়া যায়। এই পদ্ধতিকে বলা হয় RGB Color Model। এই তিন রঙের মধ্যে যেকোনো দুটি রঙ সমান ভাবে মিশলে কি রঙ পাওয়া যাবে দেখা যাক:

          প্রধান বা মৌলিক রঙগুলো অন্যান্য অনুপাতে মিশলে সবজে নীল (Cyan), বেগুনী (Magenta), হলুদ (Yellow) ছাড়াও অন্যান্য যৌগিক রঙ পাওয়া যায়। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়,
      কমলা (Orange) = লাল (Red) + হলুদ (Yellow)
=> কমলা (Orange) = লাল (Red) + লাল (Red) + সবুজ (Green)
                                                      [ হলুদ (Yellow) = লাল (Red) + সবুজ (Green) ]
অর্থাৎ, লাল (Red) আর সবুজ (Green) ২:১ অনুপাতে মিশলে কমলা (Orange) পাওয়া যায়।
          এবার ধরা যাক, কোনো ছবিতে কোথাও নীল (Blue) রঙ আছে। সেই ছবির ডানদিকের Stereogram তৈরী করতে হলে ছবিটা থেকে সব সবজে নীল (Cyan) রঙ বের করে নিতে হবে, ফলে ছবির যেখানে নীল (Blue) রঙ আছে, সবজে নীল (Cyan) রঙের সাথে নীল (Blue) রঙও বেড়িয়ে যাওয়ার জন্য সেখানটা কালো (Black) হয়ে যাবে। এই জন্য Anaglyph ছবিতে বা Anaglyph চলচ্চিত্রে রঙের সমস্যা থাকে।

  • Shutter 3D System :

          আমাদের চোখে দেখা কোনো দৃশ্য আমাদের মস্তিষ্কে ১ সেকেন্ডের ১০ ভাগের ১ ভাগ সময় স্হায়ী হয়। এর ওপর ভিত্তি করেই Shutter 3D System পদ্ধতিটি তৈরী হয়েছে। এই পদ্ধতিতে একসাথে দুটি প্রজেক্টার এবং Shutter 3D চশমা ব্যবহার করা হয়, কিন্তু ছবি বা ভিডিওর কোনো পরিবর্তন করা হয়না। ডানদিকের প্রজেক্টারে ডানদিকের ক্যামেরায় রেকর্ড করা ভিডিও এবং বামদিকের প্রজেক্টারে বামদিকের ক্যামেরায় রেকর্ড করা ভিডিও চালানো হয়। ডানদিকের প্রজেক্টার চালিয়ে ১ সেকেন্ডের ১০ ভাগের ১ ভাগেরও কম সময় পর সেটা বন্ধ করে বামদিকের প্রজেক্টার চালানো হয়, এবং সেটাকেও ১ সেকেন্ডের ১০ ভাগের ১ ভাগেরও কম সময় পর বন্ধ করে আবার ডানদিকের প্রজেক্টার চালানো হয় -এইভাবে পর্যায়ক্রমে দুটি প্রজেক্টারই চলতে থাকে। যে Shutter 3D চশমা ব্যবহার করা হয় তার কাঁচে একটি বিশেষ স্বচ্ছ পদার্থ থাকে, যাতে বিদ্যুত প্রয়োগ করলে সেটি অস্বচ্ছ এবং অন্ধকার হয়ে যায়। যখন ডানদিকের প্রজেক্টার চালানো থাকে, তখন Shutter 3D চশমার বামদিকের কাঁচে বিদ্যুত প্রয়োগ করা হয়, ফলে দর্শক বামদিকের চোখে কিছু দেখতে পায়না, ডানদিকের চোখ দিয়ে ডানদিকের ছবি বা ভিডিও দেখে। একইভাবে যখন বামদিকের প্রজেক্টার চালানো থাকে, তখন Shutter 3D চশমার ডানদিকের কাঁচে বিদ্যুত প্রয়োগ করা হয়, ফলে দর্শক ডানদিকের চোখে কিছু দেখতে পায়না, বামদিকের চোখ দিয়ে বামদিকের ছবি বা ভিডিও দেখে। Shutter 3D চশমায় বিদ্যুত প্রয়োগের পর্যায়ক্রম আর প্রজেক্টার দুটির পর্যায়ক্রম মেলানো হয় বেতার পদ্ধতিতে। এইভাবে আমাদের মস্তিষ্কে বামদিকের ছবি থাকতে থাকতেই ডানদিকের ছবি এসে যাচ্ছে এবং ডানদিকের ছবি থাকতে থাকতেই বামদিকের ছবি এসে যাচ্ছে -এটি পর্যায়ক্রমে চলতে থাকার ফলে আমরা 3D (3 Dimensional) Movie বা ত্রিমাত্রিক চলচ্চিত্র দেখছি।
          ১৯২২ সাল থেকে এই পদ্ধতিটি শুরু হয়। তখনও Shutter 3D চশমা তৈরী হয়নি, প্রেক্ষাগৃহের প্রতিটি আসনে একটা করে দেখার যন্ত্র থাকত, তাতে যান্ত্রিক ভাবে ডানদিক-বামদিকের চোখের জায়গা দুটো পর্যায়ক্রমে খুলত বা বন্ধ হত (এই পর্যায়ক্রম প্রজেক্টার দুটির পর্যায়ক্রমের সাথে কিকরে মেলানো হত?)। Shutter 3D চশমা প্রথম তৈরী করেন Stephen McAllister ১৯৭০এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে।

এই পদ্ধতির অসুবিধা :
  • যেহেতু প্রজেক্টার দুটি পর্যায়ক্রমে চলতে থাকে আর বন্ধ হতে থাকে, দর্শকের মনে হতে পারে যে ভিডিওটা মিটমিট করছে।
  • অন্যান্য পদ্ধতির থেকে ফ্রেম রেট দ্বীগুন হতে হবে, কারন এই পদ্ধতিতে একই ফ্রেমের একবার ডানদিকের দৃশ্য আর একবার বামদিকের দৃশ্য দুটো প্রজেক্টার থেকে আলাদা করে দেখানো হয়।
  • Shutter 3D চশমা খুবই ব্যয়বহুল।

  • Polarized 3D System :

          আমরা জানি, আলো এক ধরনের তড়িৎ-চুম্বকীয় তরঙ্গ। আলোক উৎসের যেকোনো বিন্দু থেকে সব দিকেই প্রত্যেক দিকে বিভিন্ন তলে তরঙ্গ বেরিয়ে আসে। কোনো একটা দিকের বিভিন্ন তলের তরঙ্গগুলোর মধ্যে থেকে যেকোনো একটা তরঙ্গ বেছে নেওয়া যায় Polarizer বা Polarizing ফিল্টার ব্যবহার করে। Polarizer বা Polarizing ফিল্টার উল্লম্ব (Vertical), অনুভূমিক(Horizontal), বা অন্যান্য কোনের হয় -অর্থাৎ, উল্লম্ব (Vertical) বা অনুভূমিক (Horizontal) Polarizer যথাক্রমে উল্লম্ব (Vertical) তরঙ্গকে পার হতে দেবে কিন্তু অন্য তরঙ্গগুলোকে আটকে দেবে, বা, অনুভূমিক (Horizontal) তরঙ্গকে পার হতে দেবে কিন্তু অন্য তরঙ্গগুলোকে আটকে দেবে। কোনো Polarizer বা Polarizing ফিল্টার যে নির্দিষ্ট তলের তরঙ্গকে পার হতে দেয় সেই তলের কোনের মাপকে ওই Polarizer বা Polarizing ফিল্টারের Polarity বলা হয়। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, উল্লম্ব (Vertical) Polarizer বা Polarizing ফিল্টারের Polarity ৯০° এবং অনুভূমিক(Horizontal) Polarizer বা Polarizing ফিল্টারের Polarity ০°।
          Polarized পদ্ধতিতে একটা প্রজেক্টারেই দুটো ভিডিও (ডানদিকের এবং বামদিকের ক্যামেরায় রেকর্ড করা ভিডিও) ১ সেকেন্ডের ১০ ভাগের ১ ভাগের কম সময় পর পর পর্যায়ক্রমে পরিবর্তন করে দেখানো হয়। প্রজেক্টারের সামনে একটা Polarizer বা Polarizing ফিল্টার ব্যবহার করা হয়, যা পর্যায়ক্রমে নিজের Polarity পরিবর্তন করতে পারে। এই Polarizer বা Polarizing ফিল্টারের পর্যায়ক্রম প্রজেক্টারের পর্যায়ক্রমের সাথে মেলানো থাকে। ধরা যাক, যখন ডানদিকের ভিডিও দেখানো হচ্ছে, Polarizer বা Polarizing ফিল্টারের Polarity থাকছে ৯০°, এবং যখন বামদিকের ভিডিও দেখানো হচ্ছে, Polarizer বা Polarizing ফিল্টারের Polarity থাকছে ০°। ফলে ডানদিকের ক্যামেরায় রেকর্ড করা ভিডিও পর্দায় ৯০° Polarized হয়ে পড়ছে এবং বামদিকের ক্যামেরায় রেকর্ড করা ভিডিও পর্দায় ০° Polarized হয়ে পড়ছে। দর্শক যে Polarized চশমায় দেখছে, তার ডানদিকে ৯০° Polarity-র Polarizer বা Polarizing ফিল্টার এবং বামদিকে ০° Polarity-র Polarizer বা Polarizing ফিল্টার আছে। এইভাবে পর্দা থেকে প্রতিফলিত হয়ে প্রজেক্টার থেকে Polarized ভাবে নির্গত ডানদিকের দৃশ্য ডানচোখে আর বামদিকের দৃশ্য বামচোখে এসে মস্তিষ্কে গিয়ে মিশলে আমরা 3D (3 Dimensional) Movie বা ত্রিমাত্রিক চলচ্চিত্র দেখতে পাই। Polarized 3D System প্রথম ব্যবহার করেন Edwin H. Land ১৯৩৬ সালে।

এই পদ্ধতির অসুবিধা :
  • এই পদ্ধতির প্রধান অসুবিধা হলো, দর্শককে সবসময় সোজা হয়ে থাকতে হবে। একটু বেঁকে গেলেই Polarized চশমার Polarity-র কোন পরিবর্তন হয়ে অন্য তলে চলে যাবে, ফলে পর্দা থেকে নির্দিষ্ট কোনে এবং নির্দিষ্ট তলে প্রতিফলিত দৃশ্য দেখা যাবেনা।
  • পর্দা এমন হতে হবে যে প্রতিফলিত তরঙ্গটাও একইরকম Polarized থাকে, প্রতিফলিত হওয়ার পর সাধারন তরঙ্গ না হয়ে যায়।

  • Autostereoscopy :

         কোনো খবরের কাগজ বা অন্য কিছু যাতে ছোট হরফে লেখা আছে, এরকম কিছু গোল করে চোঙের মতো মুড়িয়ে চোখের সামনে উল্লম্ব (Vertical) ভাবে রেখে বামচোখ বন্ধ করে ডানচোখ দিয়ে দেখুন, ডানদিকের কিছু লেখা দেখতে পাচ্ছেন কিন্তু বামদিকের কিছুটা লেখা দেখতে পাচ্ছেননা, আবার ডানচোখ বন্ধ করে বামচোখ দিয়ে দেখুন, বামদিকের কিছু লেখা দেখতে পাচ্ছেন কিন্তু ডানদিকের কিছুটা লেখা দেখতে পাচ্ছেননা। এর ওপর ভিত্তি করেই Autostereoscopy তৈরী হয়েছে। এই পদ্ধতিতে উভয় দিকের দৃশ্য দুটি সমান সংখ্যক সরু সরু উল্লম্ব ফালিতে (Vertical slice) ভাগ করা হয়। এবার, একভাগ বামদিকের দৃশ্যর পর একভাগ ডানদিকের দৃশ্য রেখে আবার পরের একভাগ বামদিকের দৃশ্যর পর পরের একভাগ ডানদিকের দৃশ্য রেখে এভাবে পরপর পর্দায় সাজানো হয়। সাজানো শুরু হয় বামদিকের দৃশ্যর প্রথম ভাগ দিয়ে আর শেষ হয় ডানদিকের দৃশ্যর শেষ ভাগ দিয়ে। এরপর, পরপর প্রত্যেক জোড়া ভাগের ওপর অর্ধেক চোঙের আকারের লেন্স বসানো হয়। ফলে লেন্সের বামদিক দিয়ে বামচোখের দৃশ্য এবং লেন্সের ডানদিক দিয়ে ডানচোখের দৃশ্য বেরিয়ে আসে। যেহেতু ডানচোখ দিয়ে চোঙের বামদিক এবং বামচোখ দিয়ে চোঙের ডানদিক দেখা যায়না, এই পদ্ধতিতে কোনো চশমা ছাড়াই ডানদিকের দৃশ্য শুধু ডানচোখে এবং বামদিকের দৃশ্য শুধু বামচোখে দেখা যাবে।

এই পদ্ধতির অসুবিধা :
এই পদ্ধতিতে মোটামোটি IPD (Inner Pupilary Distance)-র মাপের মতো পর্দা (Mobile, I-pod, Pocket video game etc.) ছাড়া বড় পর্দায় 3D (3 Dimensional) Movie বা ত্রিমাত্রিক চলচ্চিত্র বা ছবি দেখা যাবেনা। 



3D TV :
          দূরদর্শনের পর্দায় Active এবং Passive দু-ধরনের পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। Active পদ্ধতিতে Shutter এবং Passive পদ্ধতিতে Polarized প্রযুক্তি ব্যবহার হয়। 3D (3 Dimensional) বা ত্রিমাত্রিক দূরদর্শনে সম্প্রচারিত দৃশ্য থেকে ডানদিকের এবং বামদিকের দৃশ্য আলাদা করার জন্য ইন্টিগ্রেটেড চিপ আর সফ্টয়ার থাকে।

  • Active Shutter :

          Shutter 3D System আমরা আগে আলোচোনা করেছি, একই পদ্ধতি এখানেও প্রয়োগ করা হয়। চলচ্চিত্রেসর্বাধিক ফ্রেম রেট থাকে ৩০, অর্থাৎ প্রতি সেকেন্ডে আমাদের চোখের সামনে দিয়ে ৩০টা ফ্রেম চলে যায়। যেহেতু এই পদ্ধতিতে প্রত্যেকটি ফ্রেম ডানদিক এবং বামদিক উভয় দিক থেকেই দুবার করে দেখানো হয়, এখানে ফ্রেম রেট থাকে ৬০। সেকেন্ডে ৬০টি ফ্রেম দেখানোর জন্য ফ্রেম পরিবর্তন করতে হয় প্রতি সেকেন্ডে ১২০ বার। বলা বাহুল্য, এই পদ্ধতিতে 3D (3 Dimensional) Movie বা ত্রিমাত্রিক চলচ্চিত্র দেখার জন্য Shutter 3D চশমা ব্যবহার করা হয়।

  • Passive Polarized :

          দূরদর্শনের পর্দায় এই পদ্ধতির ব্যবহার জানার আগে LED পর্দার ব্যাপারে জানতে হবে। তারও আগে জানতে হবে, LED কি? LED (Light Emitting Diode) তড়িৎ-এর এক প্রকার অর্ধ-পরিবাহী যা আলো বিকীরণ করে। Anaglyph পদ্ধতির অসুবিধা আলোচনা করার সময় আমরা রঙের ব্যাপারে জেনেছি, এখানেও RGB Color Model ব্যবহার করা হয়। LED পর্দা আসলে বিভিন্ন অনুভূমিক সারিতে রাখা প্রচুর লাল, সবুজ, নীল রঙের LED-র সজ্জা।

           LED গুলোর উজ্জ্বলতা বাড়িয়ে-কমিয়ে অন্যান্য রঙ তৈরী করা হয়। উদাহরণ হিসেবে Firefox-এর একটি লোগো বড় করে দেখা যাক :
                 
এখানে রঙগুলো যেভাবে তৈরী হয়েছে :
  • লাল : যে অংশে লাল আছে, সেখানে প্রত্যেক লাল, সবুজ, নীল রঙের LED-র মধ্যে লাল LEDটা উজ্জ্বল হয়ে জ্বলছে আর বাকি দুটো বন্ধ।
  • কমলা : যে অংশে কমলা আছে, সেখানে প্রত্যেক লাল, সবুজ, নীল রঙের LED-র মধ্যে লাল LEDটা উজ্জ্বল হয়ে জ্বলছে, সবুজ LEDটা অনুজ্জ্বল হয়ে জ্বলছে আর নীল LEDটা বন্ধ।
  • হলুদ : যে অংশে হলুদ আছে, সেখানে প্রত্যেক লাল, সবুজ, নীল রঙের LED-র মধ্যে লাল আর সবুজ LED দুটো উজ্জ্বল হয়ে জ্বলছে আর নীল LEDটা বন্ধ।
  • নীল : যে অংশে নীল আছে, সেখানে প্রত্যেক লাল, সবুজ, নীল রঙের LED-র মধ্যে নীল LEDটা উজ্জ্বল হয়ে জ্বলছে আর বাকি দুটো বন্ধ।
  • আকাশী : যে অংশে আকাশী আছে, সেখানে প্রত্যেক লাল, সবুজ, নীল রঙের LED-র মধ্যে নীল আর সবুজ LED দুটো উজ্জ্বল হয়ে জ্বলছে আর লাল LEDটা বন্ধ।
  • সাদা : যে অংশে সাদা আছে, সেখানে প্রত্যেক লাল, সবুজ, নীল রঙের তিনটে LED-ই উজ্জ্বল হয়ে জ্বলছে।
          2D (2 Dimensional) বা দ্বিমাত্রিক বা সাধারণ LED পর্দার অনুভূমিক সারিগুলো ০.৩৬৪ মিলিমিটার চওড়া হয়। 3D (3 Dimensional) বা ত্রিমাত্রিক LED পর্দায় দুটি অনুভূমিক সারি নিয়ে একটি সারি তৈরী হয়, অর্থাৎ এই সারিগুলো ০.৭২৮ মিলিমিটার চওড়া হয়।
                            
          3D (3 Dimensional) বা ত্রিমাত্রিক LED পর্দার এক-একটা অনুভূমিক সারি যে দুটো সারি নিয়ে তৈরী, তার একটার বিকীরণ ৯০° তে Polarized করা এবং আর-একটার বিকীরণ ০° তে Polarized করা। ৯০° তে Polarized করা সারিগুলোতে ডানদিকের দৃশ্য দেখানো হয় আর ০° তে Polarized করা সারিগুলোতে বামদিকের দৃশ্য দেখানো হয়। দর্শক যে Polarized চশমায় দেখে, তার ডানদিকে ৯০° Polarity-র Polarizer বা Polarizing ফিল্টার এবং বামদিকে ০° Polarity-র Polarizer বা Polarizing ফিল্টার থাকে। সুতরাং Polarized 3D চশমার যেকোনো একদিক দিয়ে 3D LED পর্দার এক-একটা অনুভূমিক সারি যে দুটো সারি নিয়ে তৈরী, তার একটা দেখা যাবে, অন্যটা দেখা যাবেনা।
                     
          এইভাবে নির্দিষ্ট চোখের জন্য নির্দিষ্ট দৃশ্য আমাদের মস্তিষ্কে গিয়ে মিশলে আমরা 3D (3 Dimensional) Movie বা ত্রিমাত্রিক চলচ্চিত্র দেখতে পাই।



3D Cameras :
 




__________________________________
References :

Information :

Images :
Drawing & editing in Photodhop & Paint with Google images

Blue + Yellow = White / Green / Black ...??

       We know, the Blue & the Yellow are the opposite colors, i.e. Blue + Yellow = White. But, at the time of painting, when we mix the Blue & Yellow color up, we get the Green. Why?

       First of all we have to know why we see the Blue bodies Blue, Yellow bodies Yellow or Red bodies Red. We know that, color is a property of matters. This is because, the molecules of a matter having a particular color reflects only that electromagnetic wave (having a particular wavelength) of the color which does the matter have when lighten up.
       At the time of painting, when we mix the Blue & Yellow color up, actually the molecules of Blue & Yellow color get mixed up. So, from those mixed molecules, we can get bunch of Blue & Yellow Electro Magnetic waves mixed together.
The colors of rainbow :   

  1. Violet 
  2. Indigo
  3. Blue
  4. Green
  5. Yellow
  6. Orange
  7. Red

       So, here, we see that, Blue, Green & Yellow are right beside each other. The colors of rainbow are arranged in wavelength wise. That means, the wavelength of Blue < the wavelength of Green < the wavelength of Yellow.
      Now, consider two Electro Magnetic waves with different wavelengths. So, there will be different Electro Magnetic fields with different strengths for each. Electro Magnetic fields of different strengths attract each other. [Assume the lower one with –ve & the higher one with +ve]
       As two Electro Magnetic waves with different wavelengths attract each other, they will be overlapped, so there will be created an Electro Magnetic wave with middle wavelength replacing the two waves by the superimposition of those two waves of different wavelengths. When this occurs for a bunch of waves, there is created few Electro Magnetic waves with middle wavelength between the two types of bunch of waves.
       Now, when we mix the blue & yellow color up, then the Electro Magnetic waves emitted from the Blue molecule & the Yellow molecule get mixed up & Green wave is created which is having the middle wavelength of Blue & Yellow wave.



       On the other hand, the Newton’s Disk is colored by different colors in different sections on the disk. So, there are no such possibilities of mixing up the waves emitted from the colors.When we operate the Newton’s Color Disk, the Blue waves enter in our eye within 1/10 sec of the entry of the Yellow waves. So, here, no waves get overlapped, the Blue & Yellow colors get mixed up in our eyes & we see White.

       So, we can conclude that, if the sources of the Blue & the Yellow colors (molecules of Blue & Yellow colors) get mixed up, we see the Green. & if the Blue & the Yellow colors get mixed up in our eyes, we see the White.



  • Now we will mix the Blue & the Yellow colors in a different way : 

       If we overlap a Blue transparent sheet & an Yellow transparent sheet on each other, there forms Black color on the area where the shades of Yellow transparent sheet & Blue transparent sheet get merged. Beside this, we can see that the shade of Yellow transparent sheet is Yellow & the shade of Blue transparent sheet is Blue. We know, when a body having a particular color is lighten up, that body absorbs  all the electromagnetic waves of the colors from that light, but reflects (in case of solid body) or allows to pass through (in case of transparent body) only that electromagnetic wave (having a particular wavelength) of the color which does the body have.



      So, when we put a Blue transparent sheet between a light source and a canvas, that sheet will absorb all the colors from that light except Blue and will allow the Blue to pass through as it is transparent. So, now we can consider that Blue transparent sheet as a source of Blue light. If we put a Yellow transparent sheet between the Blue transparent sheet and the canvas, the Yellow transparent sheet will absorb the Blue color and no other color will pass on as here Blue is the only color. So, there will form Black color on the area where the shades of Yellow transparent sheet & Blue transparent sheet get merged. So, here the Blue & the Yellow colors are not getting mixed actually, they are getting vanished.

তারার জন্ম-মৃত্যু-জীবনচক্র

A Sequence Diagram of the Life Cycle of the Stars
       মহাজাগতিক জ্যোতিষ্কগুলোর মধ্যে আমাদের কাছে সবচেয়ে পরিচিত হলো তারা। রাতের খোলা আকাশের দিকে তাকালেই অসংখ বিন্দু বিন্দু আলোর উত্স জ্বলজ্বল করে ওঠে। অন্ধকারের মধ্যে স্থায়ীভাবে খোদাই করা মনে হলেও এরা কিন্তু চিরস্থায়ী না, এরা জন্মায়, জীবদ্দশায় কিছু পর্যায় অতিক্রম করে মৃত্যুবরণ করে অথবা নতুন করে জন্ম নেয়।


  • Nebula 

      আমরা জানি মহাকাশে বিভিন্ন গ্যাস বিভিন্ন জায়গায় একসাথে মেঘের মত পুঞ্জিভূত হয়ে থাকে। একে nebula বলে. "nebula" একটি Latin শব্দ যার অর্থ মেঘ। কিন্তু এই nebula শুধুই গ্যাসের মেঘ না, এর মধ্যে কিছু অংশ গ্যাস plasma অবস্থাতেও থাকে (plasma পদার্থের একটি অবস্থা. কোনো গ্যাসকে প্রচন্ড উত্তপ্ত করলে গ্যাসের অনু-পরমানু গুলো আয়নিত হয়ে যায়, একে plasma বলে)। nebula-র মধ্যে প্রধানত দুটি গ্যাস থাকে - hydrogen আর helium। 
       বাংলায় nebula-র একটা খূব সুন্দর নাম আছে, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দেওয়া, নীহারিকা।


  • Protostar 

      Nuton-এর মহাকর্ষ সুত্র অনুযায়ী আমরা জানি, প্রত্যেকটি জিনিস প্রত্যেকটি জিনিসকে আকর্ষণ করে। এই আকর্ষণ এর পরিমান জিনিস দুটির মধ্যে দুরত্ব কমলে বাড়ে, আর দুরত্ব বাড়লে কমে যায়। এই কারণে nebula-র মধ্যে গ্যাসগুলো মেঘের মত ঘন থাকার ফলে পরস্পরকে আকর্ষণ করে সংকুচিত হতে থাকে। একে protostar বলে। যত সংকুচিত হতে থাকে তত এদের অনু-পরমানুর মধ্যে সংঘর্ষ বেড়ে যায়, ফলে তত এর উষ্ণতা বাড়তে থাকে। উত্তপ্ত হতে হতে একটা নির্দিষ্ট উষ্ণতায় এসে গেলে nuclear fission হয়। অর্থাত উত্তপ্ত পুঞ্জিভূত গ্যাসের মেঘ একত্র হয়ে তার মধ্যে বিস্ফোরণ শুরু হয়। এইভাবে একটা নতুন তারা তৈরী হয়।


  • Main Sequence Star 

      তারার জন্মের পর তার প্রধান উপাদান থাকে hydrogen গ্যাস। যখন কোনো protostar-এর কেন্দ্রের উষ্ণতা 1কোটি ⁰C হয়ে যায়, সেখানে রাসায়নিক ক্রিয়া শুরু হয়ে যায়, ফলে hydrogen helium-এ পরিনত হয়ে যায়। এই অবস্থাকে main sequence বলে। এই অবস্থায় hydrogen ছাড়া অন্য কোনো পদার্থকে রাসায়নিক বিক্রিয়া করানোর ক্ষমতা থাকেনা। আমাদের সূর্য এখন এই অবস্থায় আছে। এই অবস্থাকেই তারার পরিনত বয়স বলা হয়।


  • Red Giant 

       Main sequence-এর পর যখন তারার কেন্দ্রে helium-এ পরিনত করার মত আর hydrogen থাকেনা, তখন তারার অভিকর্ষ বাড়তে থাকে অর্থাত বিস্ফোরণ বন্ধ হয়ে গিয়ে কেন্দ্রের দিকে আকর্ষণ বাড়তে থাকে।
ফলে তারাটা সংকুচিত হতে থাকে, এর সাথে সাথে কেন্দ্রও উত্তপ্ত হতে থাকে। কেন্দ্রের উষ্ণতা যখন 10 হাজার কোটি K হয়ে যায়, helium রাসায়নিক বিক্রিয়া করে carbon আর oxygen-এ পরিনত হতে শুরু করে। 
3 He⁴ → C¹² ± energy 
C¹² + He⁴ → O¹⁶ ± energy
       এইভাবে আবার বিস্ফোরণ আর রাসায়নিক বিক্রিয়া শুরু হওয়ার ফলে কেন্দ্রের সংকোচন থেমে যায়, ফলে চাপ আর উষ্ণতা বাড়তে থাকে। ফলে কেন্দ্রের চারিদিকের hydrogen রাসায়নিক বিক্রিয়া করে বিস্ফোরণ করতে থাকে। বিস্ফোরণের ফলে বাইরের দিকে চাপ তৈরী হয়, ফলে তারাটা আয়তনে বাড়তে থাকে। এর সাথে সাথে তারাটার বাইরের দিকের উষ্ণতা কমতে থাকে, ফলে তারাটা দেখতে লাল কিম্বা কমলা রঙের হয়ে যায়। এই অবস্থাকে red giant বলে।


  • Planetary Nebula 

       বিস্ফোরণ আর রাসায়নিক বিক্রিয়ার শেষের দিকে তারার কেন্দ্রে carbon আর oxigen থাকে। এতে কোনো বিস্ফোরণ বা রাসায়নিক বিক্রিয়া হয়না, ফলে তারাটার কেন্দ্র সংকুচিত হয়ে ঘন হতে থাকে।
এর ফলে যে গ্যাস বা plasma জাতীয় পদার্থ থাকে কেন্দ্রের বাইরের দিকে সেগুলো কেন্দ্র থেকে বিচ্ছিন্ন হতে থাকে। এই গ্যাস আর plasma তারার কেন্দ্রের বাইরে একটা মেঘের মত আস্তরণ তৈরী করে। যত বেশি গ্যাস বা plasma জমা হতে থাকে তত বেশি মেঘের মত আস্তরনটা ঘন হতে থাকে, ফলে তার উষ্ণতা বাড়তে থাকে। যখন উষ্ণতা 30হাজার K-এর বেশি হয়ে যায় তখন মেঘের মত গ্যাসীয় plasma-র আস্তরনটা উজ্জ্বল হয়ে আলো বিকিরণ করতে থাকে। একে planetary nebula বলে।


  • White Dwarf 

       planetary nebula-র শেষের দিকে যখন তারার মধ্যে আর জ্বালানি থাকেনা, তারাটা ঠান্ডা হতে শুরু করে, ফলে সংকুচিত হতে থাকে, আয়তনে কমে যায় আর ঘনত্ব বাড়তে থাকে। একে white dwarf বলে। একটা white dwarf-এর চেহারা মোটামোটি পৃথিবীর মতই হয়, কিন্তু তার ভর খুব বেশি হয়।
 একটা white dwarf-এর গড় ঘনত্ব হতে পারে সূর্যের ঘনত্বের 10 লক্ষ্য গুন, একটা sugar cube-এর মত white dwarf-এর ভর হতে পারে 1 টন। white dwarf যত সংকুচিত হতে থাকে তত তার অভিকর্ষ বেড়ে যায়, ফলে আরো সংকুচিত হতে থাকে, ফলে এর কেন্দ্রের উষ্ণতা বাড়তে থাকে। উষ্ণতা বাড়তে বাড়তে যখন সেটা carbon-কে রাসায়নিক ক্রিয়া করানোর ক্ষমতা পায়, carbon রাসায়নিক বিক্রিয়া করে magnesium-এ পরিনত হয়। 
C¹² + C¹² → Mg²⁴ ± energy
white dwarf-এর উষ্ণতা 30 হাজার K থেকে 10 লক্ষ্য K হয়।
white dwarf-কে বাংলায় বলা হয় শ্বেত বামন।


  • Black Dwarf 

      White dwarf-এর শেষের দিকে magnesium iron-এ পরিনত হয়ে যায়। 
magnesium → iron ± energy
       পরস্পর বিস্ফোরণের ফলে যখন white dwarf-এর উষ্ণতা আর ক্ষমতা কমে আসে, তার বিকিরিন ক্ষমতাও কমে যায়। প্রায় 4 হাজার K-এর মত উষ্ণতায় এসে গেলে তার উজ্জ্বলতাও কমে যায়। একে black dwarf বলে।


  • Supernova 
       যেসব তারার ভর সূর্যের ভরের 8 গুনের থেকে বেশি তারা main sequence-এর পর যে red giant-এ পরিনত হয় তাকে red super giant বলে। আমরা আগে দেখেছি এই অবস্থায় carbon আর oxygen তৈরী হয়। red super giant অবস্থার শেষের দিকে carbon রাসায়নিক বিক্রিয়া করে neon এবং magnesium আর oxygen রাসায়নিক বিক্রিয়া করে silicon আর sulpher তৈরী হয়, অবশেষে silicon আর sulpher রাসায়নিক বিক্রিয়া করে iron তৈরী করে।  
carbon → neon ± energy 
 
magnesium + oxygen → silicon + sulpher ± energy 
silicon + sulpher → iron ± energy
       iron তারার একেবারে কেন্দ্রে থাকে। iron আর রাসায়নিক বিক্রিয়া করতে পারেনা, কিন্তু করতে চায়, তাই শক্তি সংগ্রহের জন্য তারাটা আরো সংকুচিত হতে থাকে। এই সংকোচন খুব তাড়াতাড়ি হয়, প্রায় 500 mile ব্যাস থেকে 12 mile ব্যাসে চলে আসতে পারে মাত্র 1 sec.-এ। অবস্থার এই পরিবর্তনের ফলে তারার পরমানুগুলোর electron আর proton একত্র হয়ে nutron তৈরী করে। এই অবস্থায় যে শক্তি তৈরী হয়, তা 10 বছর ধরে 100টা তারার মধ্যে রাসায়নিক বিক্রিয়া করাতে পারে। এই শক্তির ফলে তারার কেন্দ্রের বাইরের দিকে প্রচন্ড বিস্ফোরণ শুরু হয়। এই বিস্ফোরণের তরঙ্গ তারার বাইরের দিকে 1 কোটি mile / ঘন্টা বেগে ছড়িয়ে পরে। এই বিস্ফোরনকে supernova বলে। এর কিছুদিন সময় পর তারার যা কিছু বাকি পড়ে থাকে তা সূর্যের থেকে 100 কোটি গুন উজ্জ্বল হয়ে আলো বিকিরণ করতে থাকে। এর 1 মাস সময় পর এর উজ্জ্বলতা কমতে থাকে, আর কয়েক বছর পর আর দেখা যায়না।
       supernova-র পর তার কেন্দ্রের চারিদিকে যেসব পিদার্থ বিস্ফোরণের অবশেষ হিসেবে থাকে সেগুলো ধীরে ধীরে বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে থাকে এবং নতুন একটা nebula তৈরী করে। আর যে কেন্দ্রটা পড়ে থাকে সেটা nutron star বা black hole-এ পরিনত হয়।
       যে supernova বিস্ফোরণের পর সরাসরি black hole তৈরী হয় তাকে hypernova বলা হয়।  


  • Neutron Star 

      যেসব তারার ভর সূর্যের ভরের 9 গুন থেকে 25 গুনের মধ্যে, supernova বিস্ফোরণের পর তারা Nutron star-এ পরিনত হয়। Nutron star-এর মধ্যে প্রায় পুরোটাই nutron থাকে। কারন আমরা দেখেছি supernova-র আগে তারার কেন্দ্রে nutron তৈরী হয়ে যায়। এই nutron star গুলো খুবই উত্তপ্ত থাকে, আর সংকুচিত হতে পারেনা। একটা nutron star-এর ভর সূর্যের ভরের 1.35 - 2 গুন আর এর ব্যাসার্ধ 12 km। supernova বিস্ফোরণের পর যখন nutron star তৈরী হয় তখন তার ঘূর্ণন বেগ খুব বেশি থাকে, ধীরে ধীরে সেটা কমে যায়। nutron star-এর অভিকর্ষ পৃথিবীর অভিকর্ষের 100 কোটি গুন থাকে। nutron star-এর চৌম্বক ক্ষেত্রের তীব্রতাও খুব বেশি হয়, এর  চৌম্বক ক্ষেত্রের তীব্রতা পৃথিবীর 100 কোটি গুন থাকে। nutron star-এর দুই চৌম্বক মেরু দিয়ে আলোর গতিবেগে কিছু কণা নির্গত হয়, ফলে দুই চৌম্বক মেরুতে উজ্জ্বল আলোক স্তম্ভ তৈরী হয়। পৃথিবীর মতই nutron star-এর চৌম্বক মেরু আর ভৌগলিক মেরু আলাদা থাকে, ফলে চৌম্বক অক্ষ আর ভৌগলিক অক্ষও আলাদা হয়, ফলে nutron star নিজের ভৌগলিক অক্ষে ঘোরার  সাথে সাথে তার দুই মেরুর বিকিরণও পর্যায়ক্রমে ঘুরতে থাকে light house-এর spot light-এর মত। যখন কোনো nutron star-এর বিকিরণ পৃথিবীর দিকে আসে, তা পর্যায়ক্রমে আসে, তাই এদের pulsar বলে। 


  • Black Hole 

       যেসব তারার ভর সূর্যের ভরের 25 গুন থেকে 40 গুনের মধ্যে, supernova বিস্ফোরণের পর তারা প্রথমে nutron star-এই পরিনত হয়। কিন্তু এই ধরনের nutron star-এর শক্তি (যে শক্তিতে নিজের চেহারা অক্ষুন্ন রাখা যায়) তার ভরের পক্ষে যথেষ্ট থাকেনা। কয়েক সপ্তাহ বা মাস পর এই nutron star খুব ভারী হয়ে যায় এবং তার অভিকর্ষ বেড়ে যায়,  ফলে সে আবার সংকুচিত হতে শুরু করে। এর ফলে তার কেন্দ্রের ঘনত্ব বাড়তে থাকে, ফলে অভিকর্ষ আরো বাড়তে থাকে। এইভাবে অভিকর্ষ বাড়তে বাড়তে তার আকর্ষণ ক্ষমতা এত বেড়ে যায় যে তার আকর্ষণ ক্ষমতার মধ্যে যদি আলো এসে পড়ে তাহলে আলোও বেরোতে পারেনা, একে black hole বলে। 
       যেসব তারার ভর সূর্যের ভরের 40 গুনের থেকে বেশি, supernova (hypernova) বিস্ফোরণের পরই তার কেন্দ্রের অভিকর্ষ খুব বেড়ে যায়, ফলে সে সংকুচিত হয়ে সরাসরি black hole-এ পরিনত হয়। 
       এই নিয়ে গবেষণা চলছে, এখনো এই নিয়ে কোনো নির্দিষ্ট সিদ্ধান্তে আসা যায়নি। বলা হয়, এখানে পদার্থবিদ্যার অনেক সূত্রই কাজ করেনা। Einstine-এর theory of relativity অনুযায়ী বলা হয়, black hole-এর মধ্যে সময় থেমে যায়। 
[ In photo: A black hole in front of Milky Way (our galaxy) which
                  is passing through the background behind the black hole.
  For animation click on this link:



সব pulsar-ই nutron star কিন্তু সব nutron star-ই pulsar নয় 


       আমরা জানি, পৃথিবীর মতই nutron star-এর চৌম্বক মেরু (magnetic pole) আর ভৌগলিক মেরু (geographical pole) আলাদা থাকে, ফলে চৌম্বক অক্ষ (magnetic axis) আর ভৌগলিক অক্ষ (geographical axis)-ও আলাদা হয়, ফলে nutron star নিজের ভৌগলিক অক্ষে ঘোরার  সাথে সাথে তার দুই মেরুর বিকিরণও পর্যায়ক্রমে ঘুরতে থাকে light house-এর spot light-এর মত। যদি কোনো গ্রহ (ধরা যাক রেখাচিত্র অনুযায়ী planet A) বা অন্য জ্যোতিষ্ক nutron star-টির বিকিরণের ঘূর্ণনক্ষেত্র বরাবর থাকে, তাহলে সেই গ্রহ বা জ্যোতিষ্ক nutron star-টির pulse (পর্যায়ক্রমে বিকিরণ) পাবে। কিন্তু  যদি কোনো গ্রহ (ধরা যাক রেখাচিত্র অনুযায়ী planet B) বা অন্য জ্যোতিষ্ক nutron star-টির বিকিরণের ঘূর্ণনক্ষেত্র বরাবর না থাকে, তাহলে সেই গ্রহ বা জ্যোতিষ্ক nutron star-টির pulse (পর্যায়ক্রমে বিকিরণ) পাবেনা। সুতরাং রেখাচিত্র অনুযায়ী, planet A-এর ক্ষেত্রে  nutron star-টি একটি pulsar, কিন্তু  planet B-এর ক্ষেত্রে  nutron star-টি pulsar নয়।



পৃথিবী একটি মৃত তারা

প্রথমেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি, তথ্যে কোনো ভুল থাকলে জানাবেন।
এখনো পর্যন্ত এটা শুধুমাত্র ধারণা করা হচ্ছে, এই ধারণা কোনো স্বীকৃতি পায়নি।

       তারার জীবনচক্রে আমরা দেখেছি, সূর্যের মত আয়তনের তারাগুলি Nebula থেকে সৃষ্টি হয়ে বিভিন্ন দশা (Protostar, Main Sequence Star, Red Giant, Planetary Nebula, White Dwarf) অতিক্রম করে অবশেষে Black Dwarf-এ পরিনত হয়। এই দশায় তারাটির বেশির ভাগ শক্তি শেষ হয়ে যায়। মহাজগতের বিভিন্ন অংশে বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন জ্যোতিষ্ক থেকে বিকিরিত তড়িত-চুম্বকীয় তরঙ্গ এবং তার থেকে তৈরী তড়িত-চুম্বকীয় ক্ষেত্র ছড়িয়ে থাকে। Black Dwarf-এর প্রধান উপাদান থাকে লোহা। তড়িত-চুম্বকীয় ক্ষেত্রের মধ্যে একটি লোহার গোলক নিজের অক্ষের চারিদিকে ক্রমাগত ঘুরতে থাকলে তার চৌম্বকত্ব তৈরী হয়। Black Dwarf-এর নিজস্ব শক্তি অনেকটাই কমে যাওয়ার ফলে, অপেক্ষাকৃত বেশি শক্তি সম্পন্ন কোনো তারার ক্ষমতার মধ্যে এলে Black Dwarf-টি তাকে কেন্দ্র করে ঘুরতে থাকে। পৃথিবীর সাথে তুলনা করলে দেখা যায়, পৃথিবীর কেন্দ্রের বেশির ভাগ অংশই লোহা, পৃথিবীর চৌম্বকত্ব আছে, এবং পৃথিবী সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘুরছে। পৃথিবী আর সূর্যের বয়স তুলনা করলে দেখা যায়, সূর্যের বয়স 450 কোটি বছর আর পৃথিবীর বয়স 454 কোটি বছর। সুতরাং বলা যায় যে, পৃথিবী সূর্যের মতই একটি তারা ছিল, এখন সে একটি Black Dwarf।

Periodic Table of the Elements


The Golden Ratio



      the Fibonacci numbers or Fibonacci series or Fibonacci sequence are the numbers in the following integer sequence: 
       0, 1, 1, 2, 3, 5, 8, 13, 21, 34, 55, 89, 144... 
or, alternatively, 
       1, 1, 2, 3, 5, 8, 13, 21, 34, 55, 89, 144... 

       By definition, the first two numbers in the Fibonacci sequence are 0 and 1 (alternatively, 1 and 1), and each subsequent number is the sum of the previous two. The relationship of this sequence to the Golden Ratio lies not in the actual numbers of the sequence, but in the ratio of the consecutive numbers. Let's look at some of these ratios: 
                    2 / 1 = 2.0 
                    3 / 2 = 1.5 
                    5 / 3 = 1.67 
                    8 / 5 = 1.6 
                    13 / 8 = 1.625 
                    21 / 13 = 1.615 
                    34 / 21 = 1.619 
                    55 / 34 = 1.618 
                    89 / 55 = 1.618 
                    144 / 89 = 1.618 

       Notice that I have rounded my ratios to the third decimal place. If we examine 55/34 and 89/55 more closely, we will see that their decimal values are actually not the same. But what do you think will happen if we continue to look at the ratios as the numbers in the sequence get larger and larger? That's right: the ratio will eventually become the same number, and that number is the Golden Ratio! The Golden Ratio is what we call an irrational number: it has an infinite number of decimal places and it never repeats itself! 

       we can say, two quantities are in the golden ratio if the ratio of the sum of the quantities to the larger quantity is equal to the ratio of the larger quantity to the smaller one. 
       The Golden Ratio is denoted by φ (phi) & its value is 1.618 approximately. It has an infinite number of decimal places and it never repeats itself.


the Golden Ratio


the Golden Rectangle & the Golden Spiral


Phidias (490–430 BC) made the Parthenon statues that seem to embody the Golden Ratio.


Golden Spiral (Golden Ratio) in flower


Golden Spiral (Golden Ratio) in plant


Golden Spiral (Golden Ratio) in rose


Golden Spiral (Golden Ratio) in nautilus shell


Golden Spiral (Golden Ratio) in dogs sleeping style


Golden Ratio in human body


Golden Spiral (Golden Ratio)


Golden Spiral (Golden Ratio) in atmosphere


Golden Spiral (Golden Ratio) in ocean wave


Golden Spiral (Golden Ratio) in galaxy


Golden Ratio in Saturn


Golden Ratio in Human Heartbeat


Golden Ratio in DNA


Golden Spiral (Golden Ratio) in the heart symbol heart emoticon


Golden Spiral (Golden Ratio) in the approach of a hawk to its prey